ইরানের যুদ্ধের প্রভাবে ইস্টার্ন রিফাইনারিতে তেল সংকট, উৎপাদন ব্যাহত

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারির (ইআরএল) উৎপাদন কার্যক্রম তীব্র সংকটে পড়েছে। প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম এমন তেল সংকটের মুখোমুখি হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। জ্বালানি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মার্চ মাসের জন্য নির্ধারিত ক্রুড অয়েল পার্সেল সময়মতো না পৌঁছানোয় বর্তমানে ইআরএল সীমিত লো ফিডে চালু রাখা হয়েছে।
বাস্তবে, রিফাইনারির স্টোরেজ ট্যাংকের জরুরি মজুত ফুরিয়ে যাওয়ায় দুটি ইউনিট কোনোমতে চালু রাখা হয়েছে, বাকি দুটি ইউনিট রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান জানান, যুদ্ধের কারণে মার্চ মাস থেকে আমদানি জটিলতা দেখা দিয়েছে এবং জরুরি মজুতও প্রায় শেষ। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, মে মাসের প্রথম সপ্তাহে ক্রুড অয়েলের একটি চালান পৌঁছালে রিফাইনারি আবার পুরোদমে চালু হবে।
বিপিসি আরও দাবি করেছে যে, রিফাইনারির দুটি ইউনিট বন্ধ থাকলেও দেশে তেলের কোনো সংকট হবে না। পরিশোধিত তেলের ঘাটতি মেটাতে অতিরিক্ত ডিজেল ও অকটেন আমদানি এবং মজুত করা হয়েছে। ইস্টার্ন রিফাইনারি বছরে ১৫ লাখ টন ক্রুড পরিশোধন করে এবং দেশের মোট তেলের চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ পূরণ করে। রিফাইনারির প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা এবং উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে এটিকে সম্প্রসারণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
#ইস্টার্নরিফাইনারি #তেলসংকট #বাংলাদেশ #বিপিসি #পেট্রোলিয়াম #ইরানযুদ্ধ