National
১৪ এপ্রি, ২০২৬

জ্বালানি তেলের সংকটে নিত্যপণ্যের বাজার উর্ধ্বমুখী, সবজি ও মুরগির দামে চরম অস্থিরতা

জ্বালানি তেলের সংকটে নিত্যপণ্যের বাজার উর্ধ্বমুখী, সবজি ও মুরগির দামে চরম অস্থিরতা

রাজধানীর বাজারে জ্বালানি তেলের সংকটের প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যার ফলে নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। বিশেষ করে সবজি ও কিছু মুরগির দামে চরম অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ব্রয়লার মুরগির দাম স্থিতিশীল থাকলেও দেশি ও সোনালি মুরগির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

 

বর্তমানে বেশিরভাগ সবজিই ৮০ টাকার বেশি কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কারওয়ান বাজারে মুলা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি, যা কয়েকদিন আগেও ৩০-৪০ টাকায় পাওয়া যেত। কাকরোল ১৪০ টাকা, করলা ১০০-১২০ টাকা, বেগুন ১০০-১৩০ টাকা, সজিনা ১২০-১৪০ টাকা, পটোল ৮০-১০০ টাকা, সিম ৮০-১০০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০-১০০ টাকা, টমেটো ৫০-৬০ টাকা, গাজর ৫০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আলুর দামও বেড়ে ২৫-৩০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এক আঁটি শাকের দাম ৩০-৫০ টাকা এবং লাউ ৬০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে কাঁচামরিচের দাম কিছুটা কমেছে।

 

মুরগির দামে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। ঈদের আগে ৩০০-৩২০ টাকায় বিক্রি হওয়া সোনালি মুরগি এখন ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ২৮০ টাকার লেয়ার মুরগি ৩৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তবে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০-২০ টাকা কমে ১৮০-১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগি ৭০০-৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরু ও খাসির মাংসের দাম স্থিতিশীল রয়েছে, গরুর মাংস ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১২৫০-১৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

 

শ্রীপুর ব্রয়লার হাউজের সেলিম জানান, জ্বালানি সংকট ও সরবরাহ কমে যাওয়ায় সোনালি মুরগির দাম বেড়েছে।

 

সবজির পাশাপাশি মাছ ও ডিমের দামও বেড়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে ডজনপ্রতি ডিমের দাম ১০ টাকা বেড়ে ১১০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সব ধরনের মাছের দামও কেজিতে ৪০-৫০ টাকা বেড়েছে। আব্দুল কাদের নামে এক মাছ বিক্রেতা জানান, ইলিশ মাছের দাম গত বছরের চেয়ে বেশি এবং সরবরাহও কম। বিভিন্ন ওজনের ইলিশের দাম ১ হাজার ৭০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

 

এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে সরবরাহ সংকট ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধিকে প্রধান কারণ হিসেবে দায়ী করা হচ্ছে। #জ্বালানি_সংকট #নিত্যপণ্যের_বাজার #মূল্যবৃদ্ধি #সরবরাহ_সংকট #পরিবহন_ব্যয়