প্রযুক্তি
৩ জুন, ২০২৬

কেমন করে প্রতিরোধ করবেন মূত্রনালীর রোগ, কিডনিতে পাথর এবং প্রোস্টেট সমস্যা?

কেমন করে প্রতিরোধ করবেন মূত্রনালীর রোগ, কিডনিতে পাথর এবং প্রোস্টেট সমস্যা?

বর্তমানে বাংলাদেশে কিডনি ও মূত্রনালির রোগ বৃদ্ধির পেছনে বিভিন্ন কারণ বিদ্যমান। অধ্যাপক ডা. এম ফখরুল ইসলাম-এর মতে, রোগ নির্ণয়ের উন্নত ব্যবস্থা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির ফলে এ রোগগুলো আগের চেয়ে বেশি শনাক্ত হচ্ছে। আগে ইউরোলজি বা নেফ্রোলজির চিকিৎসকের কাছে যে পরিমাণ রোগী যেত, বর্তমানে তার হার অনেক বেশি। ডায়াগনস্টিক যন্ত্রপাতির সহজলভ্যতাও এর একটি কারণ। যদিও রোগের প্রাদুর্ভাব আগেও ছিল, কিন্তু শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া এত উন্নত ছিল না।

তরুণদের মধ্যে কিডনিতে পাথর বৃদ্ধির অন্যতম কারণ জীবনযাত্রা। বিশেষ করে ২৫ থেকে ৪০-৪৫ বছর বয়সী পুরুষদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। যারা বাইরে বেশি কাজ করেন, তারা পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করেন না। এর ফলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়, যা কিডনিতে পাথর তৈরির অন্যতম কারণ। অন্যদিকে, টিনএজারদের মধ্যে ফাস্টফুডের প্রভাব এবং পরিবর্তিত খাদ্যাভ্যাস বিপাকীয় পরিবর্তনের (metabolic change) কারণ হচ্ছে। এছাড়া, শহুরে জীবনযাত্রায় শারীরিক পরিশ্রম কমে যাওয়া এবং ইনডোর গেমিং-এর প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শারীরিক স্থূলতা বাড়ছে। এর ফলে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে ইউরিক অ্যাসিড স্টোন হওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের মতো দেশে কর্মরত তরুণদেরও পানিশূন্যতার কারণে এ সমস্যায় ভুগতে দেখা যায়।

প্রোস্টেট সমস্যা সাধারণত ৪০ বছর বয়স থেকে শুরু হতে পারে। একজন পুরুষ প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর থেকেই প্রোস্টেট গ্রন্থি সক্রিয় থাকে। এই বয়সের পর থেকে নিয়মিত পরীক্ষা করানো উচিত।

#কিডনিপাথর #মূত্রনালীরোগ #প্রোস্টেটসমস্যা