National
২৫ মে, ২০২৬

মোংলায় চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ হামলা, আহত অনেকে

মোংলায় চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ হামলা, আহত অনেকে

বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার উলুবুনিয়া ৭ নম্বর ওয়ার্ডে চাঁদা আদায়ের সূত্র ধরে এক ভয়ংকর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষটি রবিবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে সংঘটিত হয়।

এই নৃশংস হামলায় লিটন গাজী এবং ইসমাইল সহ বেশ কয়েকজন ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় এক চরম ভীতিকর ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন যাবৎ এই এলাকায় চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে একটি বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জের ধরেই রবিবার রাতে একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে এই হামলা চালায়। হামলায় নারী-পুরুষ নির্বিশেষে বেশ কয়েকজন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন।

অভিযুক্তদের মধ্যে সাহাদাত ওরফে ছোট্ট মোড়ল, মুজাহিদ, মিন্টু, রাজিব, ছবুর গাজী, লিটন, টিটু, বনি, লতিফা বেগম, ইউসুব, মতিয়া, উসনা বেগম, পারভিন বেগম, রাবেয়া বেগম, ছানি সহ আরও অনেকে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, চাঁদা প্রদানে অস্বীকৃতি জানানোর কারণেই এই পরিকল্পিত হামলাটি চালানো হয়েছে। উপরন্তু, অভিযুক্তরা এলাকায় নানা ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও অভিযুক্তরা লিটন গাজীর কাছ থেকে কাঁকড়া ছিনতাই করেছিল এবং দীর্ঘদিন ধরে তাকে বিভিন্নভাবে জীবননাশের হুমকি দিয়ে আসছিল।

হামলার সময় লিটন গাজীর পরিবারের অন্তত ১১ জন সদস্য গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই সময়ে তাদের বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয় এবং ঘরের ভেতরে থাকা মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়।

আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে গুরুতর আহত লিটন গাজী মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করায় স্থানীয় বাসিন্দারা অবিলম্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, ‘ঘটনার খবর পাওয়ার পর পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগের বিষয়টি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করে দ্রুততার সাথে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ #মোংলা #চাঁদাবাজি #হামলা #বাগেরহাট