National
৪ মার্চ, ২০২৬

নাগরিক সেবায় গতি আনতে সরকারি কর্মকর্তাদের অফিসে বাধ্যতামূলক উপস্থিতি

নাগরিক সেবায় গতি আনতে সরকারি কর্মকর্তাদের অফিসে বাধ্যতামূলক উপস্থিতি

নাগরিক সেবা প্রদান, প্রশাসনিক কার্যক্রমের গতিশীলতা এবং আন্তঃদপ্তর সমন্বয় বাড়াতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক পরিপত্র অনুযায়ী, এখন থেকে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত আবশ্যিকভাবে নিজ অফিস কক্ষে অবস্থান করতে হবে।

এই নির্দেশনা জারির মূল উদ্দেশ্য হলো, কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর নির্ধারিত সময়ে অফিসে অনুপস্থিতির কারণে সৃষ্ট যোগাযোগ ব্যাহত হওয়া এবং নাগরিক সেবা প্রদানে বিঘ্ন দূর করা। এর আগে ২০১৯ ও ২০২১ সালেও এ বিষয়ে পরিপত্র জারি করা হয়েছিল।

পরিপত্রে 'সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯' এবং 'সচিবালয় নির্দেশমালা, ২০২৪' অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে দপ্তরে উপস্থিতি ও প্রস্থান নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

তবে কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে এই বাধ্যবাধকতা প্রযোজ্য হবে না। যেমন:

  • শিক্ষা/প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এবং প্রশাসনিক দায়িত্বে নিয়োজিত নন এমন শিক্ষক/অনুষদ সদস্যরা।
  • হাসপাতাল, জেলখানা, সংবাদ বা নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে রোস্টার ডিউটিতে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
  • জরুরি গ্রাহকসেবায় সরাসরি সম্পৃক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
  • মাঠপর্যায়ে নিয়মিত দায়িত্ব পালনকারী আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সমরূপ সংস্থার সদস্যরা।
  • ভিভিআইপি/ডিআইপি প্রটোকল প্রদান, আকস্মিক বৃহৎ দুর্ঘটনা মোকাবিলা, উন্নয়ন সহযোগী বা কূটনৈতিক মিশনের সঙ্গে অতি গুরুত্বপূর্ণ সভায় অংশগ্রহণ এবং অনুমোদিত সরকারি সফরের ক্ষেত্রে।

এছাড়াও, কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না এবং দাপ্তরিক কাজ ছাড়া অফিস সময়ে নিজ দপ্তর ত্যাগ করার ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা বাধ্যতামূলক।