পার্বত্য চট্টগ্রামের উৎসব: বৈষম্যহীনভাবে নিজস্ব স্বকীয়তায় পালনের ঘোষণা

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব কৃষ্টি ও সংস্কৃতি জাতীয় ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি ঘোষণা করেছেন যে এখন থেকে 'বৈসাবি' নামে নয়, বরং প্রতিটি সম্প্রদায় তাদের নিজস্ব সামাজিক উৎসবগুলো নিজস্ব স্বকীয় রীতিতে পালন করবে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি আরও জানান যে, এই উৎসবগুলোর মূল বার্তা হলো শান্তি ও সম্প্রীতি এবং প্রধানমন্ত্রী চান সকল সম্প্রদায়ের মানুষ সমান গুরুত্ব দিয়ে নিজ নিজ সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে পরিচালনা করুক। বর্তমান সরকার পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের স্বকীয়তা রক্ষা ও উন্নয়নে কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী উৎসবের সময়সূচিও জানান: ১২ এপ্রিল ফুল বিজু/বৈসু্থর মাধ্যমে প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা, ১৩ এপ্রিল ঘরে ঘরে পাঁজন্থ রান্নার মাধ্যমে মূল উৎসব এবং ১৪ এপ্রিল জলকেলি ও আশীর্বাদ গ্রহণের মধ্য দিয়ে নতুন বছরকে বরণ করা হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি বলেন, প্রধানমন্ত্রী চান সকল উৎসবে সাত রঙের মিশ্রণ থাকুক, যা বিভিন্ন সম্প্রদায়ের স্বকীয়তাকে ফুটিয়ে তুলবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, এই উৎসবগুলো নিছক অনুষ্ঠান নয়, বরং আমাদের শেকড় ও পরিচয়।
#পার্বত্যচট্টগ্রাম #সামাজিকউৎসব #বৈসাবি #বিজু #সাংগ্রাই #বৈসু #বিষু #চাংক্রান #চাংলান্থ