সোনাহাট সেতু: কুড়িগ্রামে সাত বছরেও আলোর মুখ দেখেনি সেতু

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার দুধকুমার নদের ওপর নির্মাণাধীন সোনাহাট সেতুর কাজ শেষ হয়নি সাত বছরেও। এর মধ্যে সময় বাড়ানো হয়েছে চার দফা, তবু সেতুটি আলোর মুখ দেখেনি। স্থানীয়দের সহজ ও উন্নত যোগাযোগের স্বপ্ন এটি আর নয়, বরং হতাশা ও ক্ষোভের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দেশের ১৮তম স্থলবন্দর হিসেবে পণ্য আমদানি-রপ্তানির সুবিধার্থে ৬৪৫ দশমিক ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের এই সেতুর নির্মাণকাজ ২০১৯ সালে শুরু হয়েছিল, যার ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৩৬ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। এমএম বিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড এবং ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড যৌথভাবে কাজটি পেয়েছিল।
২০১৯ সালে শুরু হওয়া সেতুর নির্মাণকাজ ২০২১ সালে শেষ হওয়ার সময় নির্ধারণ করা হলেও ২০২৬ সালে এসে দেখা যাচ্ছে কাজ হয়েছে ৭০ শতাংশ। সওজের কর্মকর্তাদের মতে এখনো ৩০ ভাগ কাজ বাকি থাকলেও বাস্তবে কাজটি আরও বেশি পিছিয়ে আছে।
অতিরিক্ত পণ্য পরিবহনের কারণে সেতুর পাটাতন নষ্ট হয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সরকার ১০ টনের বেশি পণ্য পরিবহন বন্ধ করে দিয়েছে।
সোনাহাট স্থলবন্দরের ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম বলেন, ভারত থেকে পাথর আমদানি করে তিনি এই বেইলি ব্রিজ দিয়েই দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাঠান।
সড়ক বিভাগ, কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী মীর মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন বলেন, সেতুটির কাজ ইতোমধ্যে ৭০ ভাগ শেষ হয়েছে এবং জুন ২০২৬ সালের মধ্যে সুপার স্ট্রাকচারের কাজ শেষ করার আশা রয়েছে।
#সেতুনির্মাণ #কুড়িগ্রাম #সোনাহাট #যোগাযোগ