National
৬ এপ্রি, ২০২৬

সরকারি খাল ভরাট ও সড়ক সংলগ্ন জমি দখল করে মাছের খামার: কৃষকদের দুশ্চিন্তা

সরকারি খাল ভরাট ও সড়ক সংলগ্ন জমি দখল করে মাছের খামার: কৃষকদের দুশ্চিন্তা

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় সরকারি খাল ভরাট এবং আঞ্চলিক সড়কের জমি অবৈধভাবে দখল করে মাছের খামার তৈরির অভিযোগ উঠেছে। এতে ছোট বারইহাটি গ্রামসহ আশেপাশের কয়েকটি গ্রামের কয়েকশ কৃষকের ফসলের জমি বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচ কাজ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

 

টাংগাব ইউনিয়নের বাশিয়া গ্রাম থেকে শুরু হওয়া বৌমরা খালটি নিগুয়ারী ইউনিয়নের ছোট বারইহাটি গ্রাম হয়ে সুতিয়া নদীতে পতিত হয়েছে। এই খালটি স্থানীয়ভাবে শুকলাইন নামেও পরিচিত। প্রায় সহস্রাধিক কৃষকের ফসলি জমির পানি এই খালের মাধ্যমে নিষ্কাশিত হয় এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচের কাজে ব্যবহৃত হয়।

 

অভিযোগ উঠেছে, ছোট বারইহাটি গ্রামের আ. লীগ কর্মী আবুল কাশেম ওরফে ভেকু কাশেম এক্সকাভেটর দিয়ে খালের অন্তত ২০০ ফুট ভরাট করে ফেলেছেন। এছাড়াও তিনি গফরগাঁও-বরমী আঞ্চলিক সড়কের জমি দখল করে গভীর পুকুর খনন করেছেন এবং ভরাট করা খালকে পুকুরের পাড় হিসেবে ব্যবহার করছেন।

 

ভুক্তভোগী কৃষকরা জানান, খাল ভরাট ও সড়ক সংলগ্ন জমি দখলের ফলে বর্ষায় জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচ সংকট দেখা দিতে পারে। সড়কটিও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

 

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আবুল কাশেম দাবি করেছেন, তিনি তার নিজের জায়গা ভরাট করেছেন এবং নিজের জমিতে পুকুর খনন করেছেন।

 

স্থানীয় নিগুয়ারী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এনএম আব্দুল্লাহ-আল-মামুন বলেছেন, সরকারি খালে বাঁধ দিয়ে পুকুর তৈরির কোনো সুযোগ নেই এবং এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

#গফরগাঁও #খালদখল #জলাবদ্ধতা #সেচসংকট