ভোলায় দোকান দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত ১২

ভোলার দৌলতখান উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়নের মিয়ার হাটে একটি দোকানঘর দখলকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে আটজনকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত ফরিদকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, চরখলিফা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের দাইমুদ্দিন বেপারীবাড়ির শাখাওয়াত হোসেন কয়েক দশক ধরে মিয়ার হাটে ওই দোকানঘরে হোটেল ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। অন্যদিকে, একই বাড়ির ফরিদ গংরা দোকানটির মালিকানা দাবি করছে।
মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে শুক্রবার জুমার নামাজের আগে শত শত লোকের উপস্থিতিতে দা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এর আগে মালিকানা নিয়ে বেশ কয়েক দফা সালিশ বৈঠক হলেও কোনো সমাধান আসেনি।
শাখাওয়াৎ হোসেনের অভিযোগ, তিনি দোকানে সংস্কার কাজ করার সময় ফরিদ গংরা বাধা দেয় এবং ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা করে। এতে তিনি নিজে সহ ছয়জন আহত হন।
অন্যদিকে, প্রতিপক্ষ নুরুল ইসলাম জানান, শাখাওয়াত হোসেন ফরিদের কাছ থেকে দোকানঘর ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করতেন। এখন তিনি এটি নিজের বলে দাবি করায় আদালতে মামলা চলছে। হামলায় ফরিদ গংদেরও ছয়জন আহত হয়েছেন।
দৌলতখান থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) বিপুল চন্দ্র দাস জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে থানায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
#ভোলা #দৌলতখান #দোকানদখল #মারামারি #আহত