৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে জিম্মিদশা থেকে মুক্ত রামু'র কৃষক মিন্টু

অপহরণের ৪৮ ঘণ্টা পর ৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে জিম্মিদশা থেকে মুক্ত হয়েছেন রামুর কৃষক রিদুয়ানুল করিম মিন্টু। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ১১ সদস্যের একটি সশস্ত্র দল তাকে ছেড়ে দেয়। মুক্তি পাওয়ার পর রাতেই নিজ বাড়িতে ফেরেন তিনি।
জানা গেছে, গত রোববার রাতে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের লতাবনিয়া উঠুনি এলাকা থেকে তাকে অপহরণ করা হয়। সীমান্তবর্তী লম্বাচর এলাকায় তামাক ও সবজি চাষ শেষে বাড়ি ফেরার পথে তিনি সন্ত্রাসীদের কবলে পড়েন।
মিন্টু জানান, ৭ জন বাঙালি ও ৪ জন উপজাতি সদস্যের একটি সশস্ত্র দল তাকে অপহরণ করে পাহাড়ি এলাকায় শিকল দিয়ে বেঁধে রাখে এবং শারীরিক নির্যাতন করে। প্রথমে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হলেও পরে দরকষাকষির মাধ্যমে ৮ লাখ টাকায় সমঝোতা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে তার বোনের স্বামী ছুরুত আলম আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ এবং স্বর্ণ বিক্রি করে মুক্তিপণ পরিশোধ করেন।
অপহরণকারীদের মধ্যে কয়েকজনকে তিনি শনাক্ত করতে পেরেছেন এবং এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। উল্লেখ্য, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে একই এলাকার আরেক কৃষক কবির আহমদের ছেলে রিয়াজুল হক ও তার কর্মচারী রবিউল ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পান। এর আগেও ওই এলাকায় বৃদ্ধ আলী আকবরকে অপহরণের ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, অপহরণের বিষয়টি তারা জেনেছেন এবং ভুক্তভোগী আইনি পদক্ষেপ নিতে চাইলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে।
#কৃষক #মুক্তিপণ #অপহরণ #রামু #নাইক্ষ্যংছড়ি