বক্ষব্যাধির ঝুঁকি কমাতে জনসচেতনতা ও প্রতিরোধে সরকারের ভূমিকা

বায়ুদূষণ ও ধূমপানের কারণে দেশে বক্ষব্যাধির প্রকোপ বাড়ছে। জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. গোলাম সারওয়ার লিয়াকত হোসেন ভূঁঞা জানিয়েছেন, ১৫ দিনের বেশি কাশি, কাশির সঙ্গে রক্ত যাওয়া, বুকে ব্যথা, কফ, শ্বাসকষ্ট এবং বুকে শব্দ হওয়া বক্ষব্যাধির প্রাথমিক লক্ষণ। এসব লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
অ্যাজমা ও সিওপিডি রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। অ্যাজমার অ্যাটাক শ্বাসনালির সাময়িক সংকীর্ণতার কারণ হলেও সিওপিডি শ্বাসনালির স্থায়ী পরিবর্তন ঘটায়। বায়ুদূষণ, গাড়ির ধোঁয়া, ইটের ভাটা, শিল্পকারখানা, মশার কয়েল, স্প্রে অ্যাজমার ট্রিগার হিসেবে কাজ করে। অন্যদিকে, সিওপিডি মূলত ধূমপানের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই ধূমপান নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।
গ্রামাঞ্চলে বক্ষব্যাধি নির্ণয় ও চিকিৎসায় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সেখানে কফ পরীক্ষা ও এক্সরে মেশিনের অপ্রতুলতা রয়েছে। রোগ নির্ণয়ের পর রেফার করার ব্যবস্থাও উন্নত নয়। এই দুই ক্ষেত্রে উন্নয়ন প্রয়োজন।
ঢাকা শহরসহ বাংলাদেশের শহরগুলো বায়ুদূষণে জর্জরিত। অপরিকল্পিত শিল্পায়ন, ইটের ভাটা, পাথর ভাঙা, রাস্তার নির্মাণকাজ এবং গাড়ির ধোঁয়া এর প্রধান কারণ। বায়ুদূষণ শ্বাসতন্ত্রের রোগ বাড়িয়ে তুলছে।
বক্ষব্যাধি প্রতিরোধে সরকার ও সাধারণ মানুষ উভয়েরই সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। #বক্ষব্যাধি #বায়ুদূষণ #ধূমপান #অ্যাজমা #সিওপিডি