কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শাহ আলম অফিসে অনুপস্থিত: ভোগান্তিতে নগরবাসী

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের (কুসিক) প্রশাসক মো. শাহ আলম সরকারি বিধি অমান্য করে সপ্তাহের বেশিরভাগ দিনই নির্ধারিত সময়ে অফিসে অনুপস্থিত থাকছেন। দাপ্তরিক কাজে ঢাকায় থাকার কথা বললেও, খোঁজ নিয়ে জানা গেছে তিনি প্রায়শই সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যান না।
এই অনুপস্থিতির কারণে নগরবাসীর বিভিন্ন নাগরিক সেবা ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে যে, প্রধান কর্মকর্তার অনুপস্থিতির সুযোগে অন্যান্য কর্মকর্তারাও অনিয়মিত হয়ে উঠছেন।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (যেমনটি মূল নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে) সব সরকারি কর্মকর্তাকে নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দিলেও কুসিকে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। এক সপ্তাহে তিন কার্যদিবস কুসিক পরিদর্শন করেও প্রশাসক শাহ আলমকে তার কার্যালয়ে পাওয়া যায়নি।
নগরীর বাসিন্দা সাজ্জাদুল কবির এই পরিস্থিতিকে দুঃখজনক আখ্যা দিয়ে বলেন, নগরবাসীর সেবার জন্য সিটি কর্পোরেশনই প্রধান প্রতিষ্ঠান। দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের রাষ্ট্রের নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দায়িত্ব পালন করা উচিত।
কুসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন মিয়া প্রশাসকের অনুপস্থিতি সম্পর্কে বলতে পারেননি, শুধু জানিয়েছেন তিনি ঢাকায় আছেন। সাবেক কাউন্সিলর কাজী গোলাম কিবরিয়া জানান, প্রশাসক সপ্তাহে দুই-তিন দিন অফিস করেন। কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী বিষয়টি নিয়ে প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন।
প্রশাসক শাহ আলমকে এ বিষয়ে জানতে একাধিকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি। সচেতন নগরবাসীর মতে, প্রশাসকের নিয়মিত উপস্থিতি থাকলে সেবা কার্যক্রম আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে সম্পন্ন হতো।