National
২৫ এপ্রি, ২০২৬

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত মিড-ডে মিল: পুষ্টি ও প্রযুক্তিনির্ভর পরিকল্পনা সরকারের

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত মিড-ডে মিল: পুষ্টি ও প্রযুক্তিনির্ভর পরিকল্পনা সরকারের

বাংলাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ২ কোটি শিক্ষার্থীকে পর্যায়ক্রমে উন্নতমানের টিফিন বা মিড-ডে মিল দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানিয়েছেন, এই খাবার মানসম্মত, পুষ্টিগুণসম্পন্ন এবং দীর্ঘ সময় সংরক্ষণযোগ্য করার জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ও গবেষণার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

বর্তমানে শিক্ষার্থীদের দেওয়া বাটার বন বা কলার মতো খাবার দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার সমস্যা সমাধানে সাশ্রয়ী মূল্যে দীর্ঘ সময় ভালো থাকে এমন খাবার তৈরির গবেষণা প্রয়োজন। এছাড়া, শিক্ষাব্যবস্থায় ব্যবহারিক প্রয়োগের ঘাটতি পূরণে কারিকুলাম সংস্কার করে তরুণ প্রজন্মকে ট্রান্সফারেবল ও টেকনিক্যাল স্কিল অর্জনে সক্ষম করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে বায়োটেকনোলজির মতো উদীয়মান খাতে কর্মসংস্থান তৈরির সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।

গবাদিপশুর ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রেও স্বনির্ভরতা অর্জনের ওপর জোর দিয়ে উপদেষ্টা বলেন, আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় ইকোসিস্টেম তৈরি করলে জীবনরক্ষাকারী ওষুধ ও ক্যান্সার গবেষণায় বিপ্লব আনা সম্ভব। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভোজ্যতেল ও চিনির মতো পণ্যে স্বনির্ভরতার জন্য আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার জরুরি।

তিনি 'ব্রেইন ড্রেন' বন্ধ করে 'ব্রেন সার্কুলেশনে' রূপান্তরের ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যেখানে প্রবাসে থাকা দক্ষ গবেষক ও একাডেমিকদের জয়েন্ট রিসার্চ ও শর্ট কোর্সের মাধ্যমে দেশের গবেষণা ব্যবস্থার সাথে যুক্ত করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও দিকনির্দেশনায় বায়োটেকনোলজির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

#শিক্ষা #মিডডে_মিল #প্রযুক্তি #গবেষণা #পুষ্টি