National
১০ মার্চ, ২০২৬

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মানসিক স্বাস্থ্য ও বৈজ্ঞানিক জীবনধারা: মাউশির ১০ নির্দেশনা

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মানসিক স্বাস্থ্য ও বৈজ্ঞানিক জীবনধারা: মাউশির ১০ নির্দেশনা

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) তাদের আওতাধীন সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করেছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে 'বৈজ্ঞানিক লাইফস্টাইল ডেভেলপমেন্ট এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম' বাস্তবায়ন করা। এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এক দিনের বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ আয়োজন করতে বলা হয়েছে, যা মূলত মেডিটেশন কার্যক্রমের উপর জোর দেবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী এই প্রশিক্ষণ পরিচালিত হবে।

 

মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া ১০টি নির্দেশনা নিচে উল্লেখ করা হলো:

  • প্রশিক্ষণের শিরোনাম: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে 'বৈজ্ঞানিক লাইফস্টাইল ডেভেলপমেন্ট এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম'।
  • বাস্তবায়ন: মাউশির অধীন সকল মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী নিজ নিজ ভেন্যুতে বিনামূল্যে এই প্রশিক্ষণ বাস্তবায়ন করবে।
  • আয়োজক: প্রতিষ্ঠান প্রধানেরা কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের নিবন্ধিত ও নির্ধারিত স্বেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষকদের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য এক দিনের প্রশিক্ষণ আয়োজন করবেন।
  • মনিটরিং পুল গঠন: প্রশিক্ষণ-পরবর্তী দৈনিক অনুশীলন কার্যক্রম নিয়মিত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একটি মনিটরিং পুল গঠন করবে।
  • গাইডলাইন অনুসরণ: প্রশিক্ষণ ম্যানুয়ালের পরিশিষ্ট-২-এ অন্তর্ভুক্ত পরিচালনা ও বাস্তবায়ন গাইডলাইনের কাউন্সেলিং সেবাসহ অবশিষ্ট নির্দেশনাগুলো শিক্ষার্থীদের দৈনিক অনুশীলন কার্যক্রমের সঙ্গে প্রয়োজন অনুসারে বাস্তবায়িত হবে।
  • মনিটরিং পুলের কার্যপরিধি: মনিটরিং পুলের কার্যক্রম প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল এবং পরিচালনা ও বাস্তবায়ন গাইডলাইনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে; এর বাইরের কোনো কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়া যাবে না।
  • নতুন শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ: মনিটরিং পুল প্রতি বছর নতুন ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে; প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বেশি হলে ব্যাচ আকারে প্রশিক্ষণ দেওয়া যেতে পারে।
  • অভিভাবকদের সম্পৃক্ততা: অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এবং অভিভাবকদের অবহিতকরণের অংশ হিসেবে প্রয়োজনবোধে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদেরও প্রশিক্ষণের আওতায় এনে কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করা যেতে পারে।
  • সহযোগিতা ও যোগাযোগ: প্রতিষ্ঠান প্রধানেরা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় কার্যক্রমটি বাস্তবায়ন করবেন এবং প্রয়োজনে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ কো-অর্ডিনেটরের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন।
  • স্বেচ্ছাসেবক: বাংলাদেশ স্কাউটস (স্কুল পর্যায়ে স্কাউটস ও কলেজ পর্যায়ে রোভার স্কাউটস) সদস্যরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে প্রশিক্ষণ বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কার্যক্রমে যুক্ত থাকবেন।

#শিক্ষা মন্ত্রণালয় #মাউশি #মানসিক স্বাস্থ্য #বৈজ্ঞানিক জীবনধারা #কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন